"বাংলাদেশি রান্না"

এ ব্লগটিতে আপনারা আমাদের দেশের বিভিন্ন প্রচলিত খাবার, পাণীয়,পিঠা সহ বিভিন্ন অনুষ্টানে বিয়ে, ঈদ, রমজান, পূজায় সচরাচর যে সকল খাবার রান্না করা হয় সে সব খাবারের রেসিপি পাবেন।
মিষ্টি খাবার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মিষ্টি খাবার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১০

সবজির কাস্টার্ড

উপকরণ:
মিহি কুচি করা লাউ আধাকাপ, কনডেন্সড মিল্ক সিকি কাপ, মোটা কুচি করা লাউ আধাকাপ, পেস্তা বাদাম ২ টেবিল-চামচ, গোলাপজল ১ চা-চামচ, গাজর কুচি করা আধাকাপ, ঘি ১ টেবিল-চামচ, চিনি আধা -কাপ, বাটার অয়েল সিকি কাপ, গুঁড়ো দুধ আধাকাপ, বুন্দিয়া দেড় কাপ, মাওয়া আধাকাপ
প্রস্তুত প্রণালিঃ
ক. দুই ধরনের লাউ কুচি করে সেদ্ধ হয়ে গেলে চেপে নিতে হবে। এবার বাটার অয়েল, লাউ, চিনি ও গোলাপজল একসঙ্গে জ্বাল দিতে হবে। একটু পর কনডেন্সড মিল্ক দিয়ে নাড়তে হবে। শুকিয়ে এলে মাওয়া ও গুঁড়ো দুধ দিতে হবে। নামিয়ে ঠান্ডা করে বুন্দিয়া মেশাতে হবে। এবার ছোট ছোট মিষ্টির মতো বানাতে হবে।
খ. জেলো গোলানো ২ কাপ পানিতে ১ মুঠো চায়না গ্রাস গলাতে হবে। এবার ওই পাত্রে জেলো পাউডার গুলিয়ে সমান ট্রেতে ঢেলে ঠান্ডা করতে হবে। ঠান্ডা হলে ছোট ছোট কিউব করে কেটে নিতে হবে।
গাজর, ঘি ১ টেবিল-চামচ ও চিনি দিয়ে জ্বাল দিতে হবে।
গ্রেভি
উপকরণ:
পানি ২ কাপ, গুঁড়ো দুধ ২ কাপ, চিনি ১ কাপ, ডিমের কুসুম ২টি, কর্নফ্লাওয়ার ৩ টেবিল-চামচ, এসেন্স আধা চা-চামচ ও দুধের মালাই ১ কাপ, মালাই বাদে সব উপকরণ একসঙ্গে ব্লেন্ড করে জ্বাল দিতে হবে।
ঘন হলে নামিয়ে ঠান্ডা করে ডিমের সাদা অংশের মেরাং ও দুধের মালাই মিশিয়ে বিট করতে হবে।
পাত্র সাজানো: সার্ভিং ডিসে প্রথমে গাজর ও তার ওপর লাউয়ের বলগুলো সাজিয়ে গ্রেভি ঢেলে দিতে হবে। পেস্তা ও কাঠবাদাম দিতে হবে। জেলোর কিউবগুলো ছড়িয়ে দিতে হবে। এবার ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন।

সোমবার, ৮ নভেম্বর, ২০১০

গাজর-ফুলকপির পায়েস।

উপকরণ:
গাজর আধা কেজি, পোলাওয়ের চাল আধা কাপ, দুধ ২ লিটার, কনডেন্সড মিল্ক ১ টিন, দারচিনি ৬ টুকরা, এলাচ ৪টি, ফুলকপি আধা কাপ, চিনি আধা কাপ, গোলাপ পানি ১ টেবিল-চামচ, জাফরান আধা চা-চামচ, কিশমিশ ২ টেবিল-চামচ, পেস্তাবাদাম কুচি ৪ টেবিল-চামচ, মাওয়া গুঁড়া ২ টেবিল-চামচ।
প্রণালি:
গাজর সবজি কুরুনিতে ঝুরি করে নিতে হবে। জাফরান গোলাপ পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। পোলাওয়ের চাল ধুয়ে পানিতে ভিজিয়ে রেখে কিছুক্ষণ পর পানি ঝরিয়ে কচলে নিয়ে চাল আধা ভাঙা করতে হবে। দুধ ও চাল একসঙ্গে চুলায় দিতে হবে। ফুটে উঠলে গাজর ও ফুলকপি দিতে হবে। এরপর এলাচ, দারচিনি দিতে হবে। চাল ও গাজর সেদ্ধ হয়ে পায়েস ঘন হয়ে এলে কনডেন্সড মিল্ক দিতে হবে। এরপর গোলাপ পানিতে ভেজানো জাফরান দিতে হবে। কিশমিশ ও কিছু পেস্তাবাদাম কুচি দিয়ে নামাতে হবে। পরিবেশনপাত্রে গাজরের পায়েস ঢেলে পেস্তাবাদাম কুচি, মাওয়া গুঁড়া ছিটিয়ে দিয়ে ঠান্ডা করে ফ্রিজে রাখতে হবে।

বৃহস্পতিবার, ৪ নভেম্বর, ২০১০

ঈদে তৈরি করুন ছানার জর্দা।

উপকরণ:
ছানা ১ কাপ, মাওয়া আধা কাপ, ময়দা সিকি কাপ, ঘি দেড় টেবিল-চামচ, ফুড কালার পছন্দমতো।
প্রণালি:
ছানা হাত দিয়ে মাখিয়ে নিতে হবে। ময়দা, ঘি দিয়ে মাওয়া মাখিয়ে নিয়ে তা ছানা দিয়ে মাখাতে হবে। ছানা কয়েক ভাগ করে পছন্দমতো ফুড কালার দিয়ে মাখাতে হবে। ছানার জর্দার ঝাঁজরির ওপর মিশ্রণটি চেপে চেপে প্লেটে রাখতে হবে। ঘি, তেল গরম করে ছানার পোলাও অল্প আঁচে কিছুক্ষণ রেখে সিরায় ছাড়তে হবে।
সিরা: চিনি ২ কাপ, দারচিনি ২ টুকরা, পানি দেড় কাপ, কেওড়া ১ চা-চামচ—সব মিলিয়ে জাল দিন।

মঙ্গলবার, ৩১ আগস্ট, ২০১০

ঈদের দিনে রেশমি সেমাই।

উপকরণঃ
ভাজা সেমাই ২ কাপ, ঘি আধাকাপ, চিনি ২ কাপ, ঘন দুধ ১ কাপ, জাফরান ১ চিমটি, এলাচ ৪ টি, শুকনা ফল ১ কাপ, গুঁড়ো দুধ আধাকাপ ও দারুচিনি ৪ টি।
প্রস্তুত প্রণালিঃ
সেমাই লালচে করে ভেজে মেপে নিতে হবে। গরম পানিতে সেমাই ভাপ দিয়ে ঝরিয়ে নিতে হবে। এবার ননস্টিক হাঁড়িতে ভাপানো সেমাই, চিনি, এলাচ, দারুচিনি ও ঘন দুধ একসঙ্গে মাখাতে হবে। চুলায় অল্প জ্বালে আধা ঘণ্টা ঢেকে দমে রাখতে হবে। ৩০ মিনিট পর ঢাকনা খুলে গুঁড়ো দুধ, ঘি, শুকনা ফল ও জাফরান ভালোভাবে মিশিয়ে ১০ মিনিট দমে রাখতে হবে। এবার নামিয়ে পরিবেশন করুন। সেমাই যখন দমে থাকবে তখন বারবার ঢাকনা খোলা যাবে না। সময় শেষ হলেই তবে ঢাকনা খুলতে হবে। এবার স্বাদের সঙ্গে পরিবেশন করুন।
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...