"বাংলাদেশি রান্না"

এ ব্লগটিতে আপনারা আমাদের দেশের বিভিন্ন প্রচলিত খাবার, পাণীয়,পিঠা সহ বিভিন্ন অনুষ্টানে বিয়ে, ঈদ, রমজান, পূজায় সচরাচর যে সকল খাবার রান্না করা হয় সে সব খাবারের রেসিপি পাবেন।
গরুর মাংস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
গরুর মাংস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০১১

সয়া-সবজির মিশ্র পোলাও।

বাজারে পাওয়া যাচ্ছে দেশি-বিদেশি নানা রকম সবজি। সবজির সঙ্গে মাছ, মাংস মিশিয়ে একটু ভিন্ন ধাঁচে রান্না করতে পারেন। দেখুন শাহানা পারভীনের দেওয়া রান্নাগুলো। 
উপকরণঃ
সয়াবড়ি ১০০ গ্রাম (বাজারে কিনতে পাওয়া যায়) হাড়সহ গরুর মাংস ১ কেজি, ফুলকপি আধা কাপ, ব্রকলি আধা কাপ, গাজর আধা কাপ, মটরশুঁটি আধা কাপ, বাসমতী চাল ৩০০ গ্রাম, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, পেঁয়াজবাটা ২ টেবিল-চামচ, আদাবাটা ১ টেবিল-চামচ, রসুনবাটা আধা চামচ, মরিচ গুঁড়া আধা চা-চামচ, ধনে গুঁড়া ১ চা-চামচ, জিরা গুঁড়া আধা চা-চামচ, দারুচিনি ২-৩ টুকরা, এলাচি ৩-৪টি, লবঙ্গ ৪-৫টি, গোলমরিচ ১০-১২টি, তেজপাতা ২টি, তেল/ঘি ১ কাপ, কাঁচামরিচ ৬-৭টি, লবণ স্বাদমতো।
প্রস্তুত প্রণালিঃ
সয়াবড়ি গরম পানিতে ভিজিয়ে রেখে ঘিতে হালকা ভেজে নিতে হবে। মাংস ছোট টুকরা করে কেটে ধুয়ে নিয়ে সব বাটা ও গুঁড়া মসলা মাখিয়ে ৩০ মিনিট রাখতে হবে। হাঁড়িতে তেল/ঘি, পেঁয়াজ কুচি, গরম মসলা, তেজপাতা ভেজে মাংস ঢালতে হবে। মাংস ভালো করে নেড়ে ঢেকে দিতে হবে। মাঝেমধ্যে নেড়ে দিয়ে ভালো করে কষে নিতে হবে। পরিমাণমতো পানি দিয়ে সেদ্ধ করে ভুনা ভুনা করে তাতে সব সবজি দিয়ে মসলা থেকে মাংস-সবজি আলাদা করে তুলে রাখতে হবে। এবার চাল ধুয়ে মসলার হাঁড়িতে ঢেলে নাড়াচাড়া করে ২-৩ কাপ গরম পানি ও লবণ দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। ভাত ফুটে উঠলে কিছু ভাত ওপর থেকে তুলে মাংস ও সবজি ছড়িয়ে দিয়ে আবার ভাত দিয়ে ওপরে কাঁচামরিচ ফালি ও সয়াবড়ি দিয়ে ১৫-২০ মিনিট দমে রাখতে হবে। গরম গরম পরিবেশন করা যায়।

বৃহস্পতিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১০

গরুর মাংসের ঝুরি কাবাব।

উপকরণঃ
গরুর মাংসের কিমা ৫০০ গ্রাম, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, কাবাব মসলা ৩ চা-চামচ, পেঁয়াজবাটা ৩ চা-চামচ, রসুন-আদাবাটা ২ চা-চামচ, জিরা গুড়া ২ চা-চামচ, ধনে গুঁড়া ২ চা-চামচ, মরিচ গুঁড়া স্বাদমতো, সয়াবিন তেল প্রয়োজনমতো, নারকেল কোরানো ১ কাপ, গরম মসলা-তেজপাতা ৩টি করে, লবণ পরিমাণমতো, কাঁচা মরিচ ফালি ৬-৭টি বা স্বাদমতো।
প্রস্তুত প্রণালিঃ
হাঁড়িতে মাংসের কিমা, লবণ, পেঁয়াজ, রসুন, আদা বাটা, নারকেল কোরানো, জিরা, ধনে গুঁড়া, গরম মসলা মাখিয়ে পরিমাণমতো পানি দিয়ে রান্না করতে হবে। মাংস সেদ্ধ হয়ে ভাজা ভাজা হলে পাটায় বেটে নিতে হবে। চুলায় ফ্রাই প্যান দিয়ে তাতে তেল দিতে হবে। তেল গরম হলে পেঁয়াজ কুচি হালকা ভেজে মাংস বাটা দিয়ে ভাজতে হবে। তারপর কাঁচা মরিচ, ফালি কাবাব, গরম মসলা ও তেজপাতা দিয়ে নেড়ে অল্প আঁচে ভাজতে হবে। মাংসের ঝুরি কাবাব চুলা থেকে নামিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

বুধবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১০

গরুর মাংসের চন্দ্র কাবাব।

উপকরণঃ
গরুর মাংসের কিমা ৩০০ গ্রাম, কাঁচকলা ২টি, মিহি পেঁয়াজ কুচি আধাকাপ, কাঁচা মরিচ কুচি স্বাদমতো, কাবাব মসলা ২ চা-চামচ, ধনেপাতা কুচি আধা কাপ, লেবুর রস ২ চা-চামচ ও সয়াবিন তেল প্রয়োজনমতো, পেঁয়াজবাটা ২ চা-চামচ, রসুন ও আদাবাটা ১ চা-চামচ, জিরার গুঁড়া ১ চা-চামচ, টোস্ট বিস্কুটের গুঁড়া প্রয়োজনমতো, ডিম ১টি, গরম মসলা ২টি, তেজপাতা ২টি, নারকেলবাটা ৩ চা-চামচ, চিনি ১ চা-চামচ, কাঁচা মরিচ ৪-৫টি বা স্বাদমতো, চালের গুঁড়া আধা কাপ।
প্রস্তুত প্রণালিঃ
হাঁড়িতে মাংসের কিমা, পেঁয়াজ, রসুন, আদাবাটা, লবণ, কাঁচা মরিচ, কাঁচা কলা টুকরা, তেজপাতা, গরম মসলা, জিরার গুঁড়া ও পরিমাণমতো পানি দিয়ে রান্না করতে হবে। মাংস সেদ্ধ হয়ে ভাজা ভাজা হলে পাটায় বেটে নিতে হবে। একটি বাটিতে মাংস, কলা বাটা, পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ, ধনেপাতা কুচি, ডিম, চিনি, লেবুর রস, সামান্য লবণ, নারকেল বাটা ও চালের গুঁড়া দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে গোল-চ্যাপ্টা করে টোস্টের গুঁড়ার ওপর গড়িয়ে অল্প আঁচে ডুবোতেলে ভাজতে হবে। সব চন্দ্র কাবাব ভাজা হলে পরিবেশন করতে হবে।

মঙ্গলবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১০

গরুর মাংসের ছেঁচা কাবাব।

উপকরণঃ
হাড় ছাড়া গরুর মাংস ৩০০ গ্রাম, কাবাব মসলা ২ চা-চামচ, আদা ও রসুনবাটা ২ চা-চামচ, পেঁয়াজ বাটা ২ চা-চামচ, কাঁচা মরিচবাটা ২ চা-চামচ, জিরা ও ধনে গুঁড়া ১ চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, তেজপাতা ২টি, গরম মসলা ২টি ও সয়াবিন তেল প্রয়োজনমতো।
প্রস্তুত প্রণালিঃ
গরুর মাংস পাতলা করে চার কোনা করে কেটে নিয়ে তা ছেঁচে নিতে হবে। এর সঙ্গে পেঁয়াজ-রসুন-আদা-কাঁচা মরিচবাটা, লবণ, জিরা, ধনে গুঁড়া, তেজপাতা ও গরম মসলা মাখিয়ে পরিমাণমতো পানি দিয়ে সেদ্ধ করতে হবে। মাংস সেদ্ধ হয়ে পানি শুকালে চুলা থেকে নামিয়ে তেজপাতা ও গরম মসলা ফেলে দিতে হবে। তারপর সেদ্ধ মাংসের সঙ্গে কাবাব মসলা মিশিয়ে নিন। চুলায় ফ্রাই প্যান দিয়ে তাতে তেল দিতে হবে। তেল গরম হলে মাংস ভাজতে হবে অল্প আঁচে। মাংস ভাজা ও পোড়া পোড়া হলে চুলা থেকে নামাতে হবে। এরপর গরম গরম পরিবেশন করতে হবে।

বৃহস্পতিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১০

মাংস সবজি।

উপকরণ:
ছোট করে কাটা গরুর মাংস ৫০০ গ্রাম। পছন্দমতো শীতের সব সবজি মিলিয়ে ৫০০ গ্রাম। আদা, রসুন ও জিরাবাটা ১ টেবিল-চামচ করে। পেঁয়াজবাটা ৩ টেবিল-চামচ। হলুদ, ধনিয়া ও মরিচের গুঁড়া ১ চা-চামচ করে। এলাচ, দারচিনি ও লবঙ্গ ২-৩টি করে। তেজপাতা ৩টি। লবণ ও কাঁচা মরিচ স্বাদমতো। সিরকা ও চিনি ১ চা-চামচ করে। তেল আধা কাপ, কুচানো রসুন ১ চা-চামচ, কুচানো পেঁয়াজ ১ কাপ, শুকনা মরিচ ১টি। ধনেপাতা কুচি স্বাদমতো। টমেটো ২টি।
প্রণালি:
মাংস সব বাটা ও গুঁড়া মসলা দিয়ে সেদ্ধ হওয়া পর্যন্ত রান্না করতে হবে। সিরকা, চিনি, এলাচ, লবঙ্গ, দারচিনি ও ১টি টমেটো দিয়ে আরও একটু রান্না করে সব সবজি দিয়ে ভালোভাবে নেড়ে আঁচ কমিয়ে ঢেকে দিতে হবে। ১০ মিনিট পর অন্য হাঁড়িতে তেল গরম করে রসুন লাল করে ভাজতে হবে। এতে পেঁয়াজ দিয়ে ভাজা হলে শুকনা মরিচ তেরছাভাবে কেটে ভেজে সবজি ঢেলে দিতে হবে। এর ওপরে বাকি টমেটো, কাঁচা মরিচ ও ধনেপাতা ছড়িয়ে পাঁচ-ছয় মিনিট দমে রাখতে হবে।

শুক্রবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১০

গরুর মাংসে বাঁধাকপির ঝাল।

উপকরণ:
ছোট করে কাটা গরুর মাংস দুই কাপ। একটু বড় করে কাটা বাঁধাকপি ৫ কাপ। আদা, জিরা ও রসুনবাটা ১ চা-চামচ করে। কিউব করে কাটা পেঁয়াজ ২টি, কুচানো পেঁয়াজ আধা কাপ। আদা ও রসুনের কুচি ১ চা-চামচ। কাঁচা মরিচ ফালি ১০-১২টি, এলাচ, দারচিনি ২টি করে। তেজপাতা ২টি। টমেটো ১টি। লবণ ও পানি পরিমাণমতো। ধনেপাতা অল্প। তেল ৩ টেবিল-চামচ। হলুদ, মরিচ ও ধনেগুঁড়া আধা চা-চামচ করে।
প্রণালি:
বাঁধাকপি ছাড়া বাকি সব মসলা দিয়ে মাংস ভুনা করতে হবে। এবার কিউব করে কাটা পেঁয়াজ, টমেটো দিয়ে ১৫ মিনিট রান্না করে বাঁধাকপিগুলো ছড়িয়ে দিতে হবে। যখন হয়ে যাবে, তখন তেল গরম করে আদা, রসুন ও পেঁয়াজের কুচি ভেজে মিশ্রণটি ঢেলে নেড়ে ওপরে ধনেপাতা ও কাঁচা মরিচ দিয়ে পাঁচ মিনিট দমে রাখতে হবে। এই রান্নাটি একটু ঝাল হবে।

সোমবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১০

বিফ স্টেক বা গরুর কাবাব।

উপকরণ:
গরুর আন্ডার-কাটের মাংস আধা কেজি, আদা বাটা ১ টেবিল-চামচ, রসুন বাটা ১ চা-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, অয়েস্টার সস ১ টেবিল-চামচ, পেঁপে বাটা (খোসাসহ) ২ টেবিল-চামচ, সাদা গোলমরিচ আধা চা-চামচ, টক দই ৩-৪ টেবিল-চামচ।
প্রণালি:
মাংসটা পাতলা টুকরা করে নিয়ে হাতুড়ি দিয়ে একটু থেঁতলে নিতে হবে। মাংসের সঙ্গে ওপরের সব উপকরণ মেখে ১৫-২০ মিনিট রেখে দিতে হবে। তারপর টুকরাগুলো আলাদা আলাদা করে ডুবোতেলে ভেজে তুলতে হবে। ম্যাশড পটেটো অথবা ফ্রেঞ্চ ফ্রাই দিয়ে পরিবেশন।

বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর, ২০১০

গরুর মাংসের কোপ্তাকারি।

উপকরণ:
গরুর কিমা ১ কাপ, আদা বাটা সিকি চা-চামচ, গরম মসলা পাউডার সিকি চা-চামচ, লেবুর রস ১ চা-চামচ, পেঁয়াজ কিমা ১ টেবিল-চামচ, কাঁচামরিচ কুচি ১ চা-চামচ, পুদিনাপাতা ১ টেবিল চামচ, ব্রেড ক্রাম্ব ২ টেবিল-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, ডিম অর্ধেক, গোলমরিচের গুঁড়া সিকি চা-চামচ।
গ্রেভি: তেল ২ টেবিল-চামচ, ঘি আধা চা-চামচ, পেঁয়াজ বেরেস্তা ২ টেবিল-চামচ, টমেটো পেস্ট ১ টেবিল-চামচ, টকদই ২ টেবিল-চামচ, কিশমিশ ১ টেবিল-চামচ, আদা বাটা আধা চা-চামচ, রসুন বাটা সিকি চা-চামচ, মরিচ গুঁড়া সিকি চা-চামচ, জিরা গুঁড়া সিকি চা-চামচ, গরম মসলা পাউডার সিকি চা-চামচ, পোস্তদানা বাটা আধা চা-চামচ, তেজপাতা, লং ২টি করে, লবণ পরিমাণমতো, টমেটো সস ১ চা-চামচ।
প্রস্তুত প্রণালি:
গরুর মাংস মিহি কিমা করে নিন। কিমার সঙ্গে পেঁয়াজ কুচি, আদা বাটা, কাঁচামরিচ, পুদিনাপাতা কুচি, লবণ, লেবুর রস, গরম মসলার গুঁড়া, ডিম, ব্রেড ক্রাম্ব—সবকিছু ভালো করে মাখিয়ে গোল গোল বল তৈরি করুন।
মাইক্রো পাওয়ার হাই সেট করুন। একটা ওভেনপ্রুফ ডিশে ২ টেবিল-চামচ তেল নিন। তেলে বলগুলো দিয়ে দিন। ডিশে ঢাকনা বন্ধ করে ২ মিনিট ভুনে নিন।
২ মিনিট পর ডিশ বের করে কোপ্তার বলগুলো আরেকটি পাত্রে রেখে আদা, রসুন বাটা, গুঁড়া মরিচ, টকদই, জিরা গুঁড়া, গরম মসলার গুঁড়া, পোস্তাদানা বাটা, টমেটো পেস্ট, তেজপাতা, লবঙ্গ, কিশমিশ ২ টেবিল-চামচ, পরিমাণ পানি ভালো করে মিশিয়ে ঢাকনা খুলে ওভেনে রাখুন। ওভেনে ২ মিনিট মসলা ভুনে নিন। ২ মিনিট পর পাত্র বের করে ভুনা কোপ্তা, ঘি, পেঁয়াজ বেরেস্তা, লবণ খুব ভাল করে মিশিয়ে ওভেনে পাতের ঢাকনা বন্ধ করে ৬ মিনিট রান্না করুন। ৬ মিনিট পর পাত্র বের করে নেড়ে নিন। পাত্রের ঢাকনা বন্ধ করে আরও ২ মিনিট রান্না করুন। ২ মিনিট পর কোপ্তাকারি বের করে ৫ মিনিট ডিশের ঢাকনা বন্ধ করে রাখুন। এরপর গরম গরম ভাত, পোলাও, পরোটা, রুটির সঙ্গে পরিবেশন করুন।

শনিবার, ২৮ আগস্ট, ২০১০

নবরতন মিট বল

উপকরণঃ
গরুর মাংস আধা কেজি, আদা ১ টেবিল-চামচ, গাজর, বরবটি, আলু ও মটরশুঁটি কুচি করা ২ কাপ, রসুন ১ চা-চামচ, লবণ আধা চা-চামচ, সয়াসস ২ টেবিল-চামচ, ডিম সেদ্ধ ২টি, গোলমরিচ ১ চা-চামচ, জিরা গুঁড়া ১ চা-চামচ, কাঁচা মরিচ গুঁড়া করা রুচিমতো, পেঁয়াজ বেরেস্তা আধাকাপ, ডিম দুটি, মুড়ির গুঁড়া প্রয়োজনমতো, মুরগির মাংসের টুকরা কয়েকটি, মাখন ১০০ গ্রাম, সাদা তিল পরিমাণমতো লবণ পরিমাণমতো, সয়াবিন তেল প্রয়োজনমতো
প্রস্তুত প্রণালিঃ
মাংস ছোট টুকরা করে কেটে আদা, রসুন, সয়াসস ও লবণ দিয়ে সেদ্ধ করে চপার মেশিনে চপ করে অথবা বেটে নিতে হবে সবজিগুলো কুচি করে সেদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে রাখতে হবে ডিম সেদ্ধ কুচি করে নিতে হবে এবার মাংস সেদ্ধ, সবজি, ডিম, গোলমরিচ, জিরার গুঁড়া, কাঁচামরিচ, মাখন ও মুরগির মাংসের টুকরা সামান্য পানি দিয়ে গুলিয়ে একসঙ্গে ভালোভাবে মাখাতে হবে এখন গোল গোল মিটবল বানাতে হবে ১ কাপ মুড়ির গুঁড়া, ১ টেবিল-চামচ তিল দিয়ে মিশিয়ে রাখতে হবে মিটবলগুলো ডিমে চুবিয়ে মুড়ির গুঁড়ায় গড়িয়ে ডুবো তেলে ভেজে গরম গরম পরিবেশন করুন
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...