"বাংলাদেশি রান্না"

এ ব্লগটিতে আপনারা আমাদের দেশের বিভিন্ন প্রচলিত খাবার, পাণীয়,পিঠা সহ বিভিন্ন অনুষ্টানে বিয়ে, ঈদ, রমজান, পূজায় সচরাচর যে সকল খাবার রান্না করা হয় সে সব খাবারের রেসিপি পাবেন।
ঈদের খাবার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ঈদের খাবার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ৩১ আগস্ট, ২০১০

ঈদের দিনে রেশমি সেমাই।

উপকরণঃ
ভাজা সেমাই ২ কাপ, ঘি আধাকাপ, চিনি ২ কাপ, ঘন দুধ ১ কাপ, জাফরান ১ চিমটি, এলাচ ৪ টি, শুকনা ফল ১ কাপ, গুঁড়ো দুধ আধাকাপ ও দারুচিনি ৪ টি।
প্রস্তুত প্রণালিঃ
সেমাই লালচে করে ভেজে মেপে নিতে হবে। গরম পানিতে সেমাই ভাপ দিয়ে ঝরিয়ে নিতে হবে। এবার ননস্টিক হাঁড়িতে ভাপানো সেমাই, চিনি, এলাচ, দারুচিনি ও ঘন দুধ একসঙ্গে মাখাতে হবে। চুলায় অল্প জ্বালে আধা ঘণ্টা ঢেকে দমে রাখতে হবে। ৩০ মিনিট পর ঢাকনা খুলে গুঁড়ো দুধ, ঘি, শুকনা ফল ও জাফরান ভালোভাবে মিশিয়ে ১০ মিনিট দমে রাখতে হবে। এবার নামিয়ে পরিবেশন করুন। সেমাই যখন দমে থাকবে তখন বারবার ঢাকনা খোলা যাবে না। সময় শেষ হলেই তবে ঢাকনা খুলতে হবে। এবার স্বাদের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

বুধবার, ২৫ আগস্ট, ২০১০

ঈদের দিনে ফালুদা।

উপকরণঃ
ভ্যানিলা আইসক্রিম ২ কাপ, চিলি আধাকাপ, পানি ১ কাপ, গুঁড়ো দুধ ২ কাপ, এসেন্স কয়েক ফোঁটা, নুডলস সেদ্ধ ১ কাপ, মাওয়া ২ টেবিল-চামচ, সাবুদানা সেদ্ধ আধাকাপ, চায়না গ্রাস ১ মুঠো, গোলাপজল আধা চা-চামচ, ফলের শরবত পরিমাণমতো, পেস্তাকুচি ২ টেবিল-চামচ, জেলো পাউডার ১ প্যাকেট, আপেল, কলা ও আঙুর ২ কাপ।
প্রস্তুতি প্রনালীঃ
পানি, দুধ ও চিনি একসঙ্গে জ্বাল দিয়ে ফ্রিজে ঠান্ডা করতে হবে।
নুডলস সেদ্ধ করে ধুয়ে পানিতে ভিজিয়ে ফ্রিজে রাখতে হবে ২ টেবিল-চামচ চিনি দিয়ে। ইচ্ছা করলে আধা ফোঁটা লাল রং ব্যবহার করা যাবে। এতে নুডলসগুলো গোলাপি হবে।
জেলো পাউডার গোলানো: ২ কাপ পানিতে চায়না গ্রাস জ্বাল দিয়ে যখন গলে যাবে তখন জেলো পাউডার দিয়ে গুলিয়ে নিয়ে একটি ট্রেতে ঢেলে ঠান্ডা করতে হবে। যখন জমে যাবে তখন কিউব করে কেটে নিতে হবে। এভাবে ৩ রকম ফ্লেবারের জেলোর কিউব কাটতে হবে।
সাজানো: প্রথমে পাত্রে নুডলস পরে সাবদানা, জেলো কিউব, ফল, ঘন দুধ, আবার জেলো কিউব ও মাওয়া দিতে হবে। এবার আইসক্রিমের স্কুপ দিয়ে ওপরে জেলো কিউব ও শরবত দিয়ে পরিবেশন।

বুধবার, ১৮ আগস্ট, ২০১০

খাসির মাংসের রেজালা।

উপকরণঃ
খাসির মাংস ৩ কেজি, পেঁয়াজ ১ কেজি, আদাবাটা ৩ টেবিল চামচ, রসুনবাটা দেড় টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়া আধা চা-চামচ, কাঁচামরিচবাটা ১ টেবিল চামচ, মরিচ গুঁড়া (লাল মিষ্টি মরিচ) ১ চা-চামচ, টক দই ১ কাপ, মিষ্টি দই সিকি কাপ, পোস্তদানা বাটা ২ টেবিল চামচ, দারচিনি ৬ টুকরা, এলাচ ৬টি, আস্ত কাঁচামরিচ ৬-৭টি, তেল ১ কাপ, ঘি আধা কাপ
কিভাবে রান্না করবেনঃ
আধা কেজি পেঁয়াজ কুচি করে কেটে নিতে হবে আর আধা কেজি পেঁয়াজ বেটে নিতে হবে। খাসির মাংস বড় টুকরা করে আদা, রসুন, লবণ দিয়ে মেখে রাখতে হবে। তেল, ঘি গরম করে তাতে পেঁয়াজ ভেজে বেরেস্তা করে মাখানো মাংস দিয়ে রান্না করতে হবে। কয়েকটি বলক এলে পেঁয়াজবাটা, হলুদ, মিষ্টি মরিচ, কাঁচামরিচ, টক দই, মিষ্টি দই দিয়ে কষাতে হবে। মাংস তেলের ওপর এলে পোস্তদানা দিয়ে ভালো করে কষিয়ে এলাচ, দারচিনি দিয়ে গরম পানি দিতে হবে। মাংস সেদ্ধ হয়ে তেলের ওপর এলে আস্ত কাঁচামরিচ দিয়ে নামাতে হবে।

মঙ্গলবার, ১৭ আগস্ট, ২০১০

ঈদের দিনের খাবার নবাবি বিরিয়ানি।

উপকরণঃ
খাসির মাংস ২ কেজি, এলাচ ৬টি, লবঙ্গ ৫-৬টি, আনারসের রস ২ টেবিল চামচ, রসুনের রস ১ টেবিল চামচ, তেজপাতা ৪টি, পেঁয়াজের রস ২ টেবিল চামচ, দারচিনি ৬ টুকরা, জাফরান আধা চা-চামচ, টক দই ১ কাপ, লবণ পরিমাণ মতো, সরিষার তেল আধা কাপ, সাদা গোলমরিচ গুঁড়া ২ চা-চামচ, চিনি ১ টেবিল চামচ, জয়ত্রি গুঁড়া আধা চা-চামচ।
মাংস প্রস্তুত প্রণালিঃ
মাংস বড় টুকরা করে কেটে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। ওপরের সব উপকরণ দিয়ে মাখিয়ে ৫-৬ ঘণ্টা রাখতে হবে।
উপকরণঃ
পোলাওয়ের চাল ১ কেজি, পেঁয়াজ বেরেস্তা আধা কাপ, মাঝারি আকারের আলু ১০-১২টি, জাফরান ১ চা-চামচ, পেস্তাবাদাম কুচি ৪ টেবিল চামচ, কাজু ১ কাপ, কাঁচামরিচ ১৫-১৬টি, ঘন দুধ ১ কাপ, মিষ্টি আতর ৫-৬ ফোঁটা, ঘি ১ কাপ, মালাই আধা কাপ, দারচিনি ৬ টুকরা, আলুবোখরা ১০-১২টি, এলাচ ৪টি, কিশমিশ ২ টেবিল চামচ, লবঙ্গ ৬টি, কেওড়া ২ টেবিল চামচ।
পোলাও প্রস্তুত প্রণালিঃ
চাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে পরিমাণমতো লবণ ও ২ টেবিল চামচ লেবুর রস মাখিয়ে রাখতে হবে। আলু ছিলে সামান্য লবণ মাখিয়ে রাখতে হবে। কেওড়ার পানিতে জাফরান ভিজিয়ে ২০-২৫ মিনিট রাখতে হবে। বিরিয়ানির হাঁড়িতে প্রথমে মাখানো মাংস রাখতে হবে। তারপর আলু দিতে হবে। কাজু ও আলুবোখরা দিতে হবে। কাঁচামরিচ, চাল, গরম মসলা দিতে হবে। কিশমিশ, পেস্তাবাদাম কুচি দিতে হবে। দুধ, মালাই দিতে হবে। ৬ কাপ পানি দিতে হবে। ঘি, জাফরান মিশ্রিত কেওড়ার পানি, মিষ্টি আতর কিছু বেরেস্তা দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে চতুর্দিকে ময়দা মথে আটকিয়ে দিতে হবে। ৫ মিনিট বেশি জ্বালে, ১০ মিনিট মাঝারি জ্বালে, ১৫-২০ মিনিট অল্প জ্বালে রাখতে হবে। ১০-১৫ মিনিট দমে রেখে নামাতে হবে। নবাবি বিরিয়ানি সার্ভিং ডিশে ঢেলে কিছু পেস্তা কুচি ও বেরেস্তা দিয়ে সালাদ ও বোরহানির সঙ্গে পরিবেশন করা যায়।

রবিবার, ১৫ আগস্ট, ২০১০

দুধ সেমাই।

সেমাই ছাড়া কি ঈদ হয়? সকালের নাশতায় সেমাই তো থাকবেই।
উপকরণঃ
দুধ ১ লিটার, সেমাই ১ কাপ, চিনির সিরা ১ কাপ, ঘি ১ টেবিল-চামচ, বাদামকুচি ১ টেবিল-চামচ, কিশমিশ ১ টেবিল-চামচ।
প্রস্তুত প্রণালিঃ
সেমাই ঘি দিয়ে ভেজে নিতে হবে। দুধ জ্বাল দিয়ে অর্ধেক করে নিয়ে সেমাই ও চিনি দিন। সেমাইয়ে দুধ মিশে গেলে বাদামকুচি ও কিশমিশ দিন।
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...