"বাংলাদেশি রান্না"

এ ব্লগটিতে আপনারা আমাদের দেশের বিভিন্ন প্রচলিত খাবার, পাণীয়,পিঠা সহ বিভিন্ন অনুষ্টানে বিয়ে, ঈদ, রমজান, পূজায় সচরাচর যে সকল খাবার রান্না করা হয় সে সব খাবারের রেসিপি পাবেন।

বুধবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

মজাদার ফল ভাতের সালাদ।

উপকরণঃ
আপেলের খোসা ছোট কিউব ১ কাপ, আলুর ছোট কিউব আধা কাপ,
সুইটকর্ন (টিনের) আধা কাপ, ক্যাপসিকাম (সবুজ) ছোট কিউব আধা কাপ, টমেটো ছোট কিউব আধা কাপ, পেঁয়াজ কিউব ছোট ২ টেবিল-চামচ (ইচ্ছা), পুদিনাপাতা কুচি ২ টেবিল-চামচ, লাল মরিচ কুচি ২ টেবিল-চামচ, চিকন চালের ভাত ১ কাপ, পানি ঝরানো টকদই ২ কাপ, লেবুর রস ২ টেবিল-চামচ, লবণ, চিনি, গোলমরিচ স্বাদমতো।
প্রস্তুত প্রণালিঃ
ওপরের সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে বা ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন। লেটুস পাতা ও সেদ্ধ ডিম দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন। কমলা দিলেও খেতে ভালো লাগবে।

ঠান্ডা ঠান্ডা টমেটো কাপ।

উপকরণঃ
টমেটো ৬টি (বড় লাল), শসা ছোট কিউব ১ কাপ, গাজর ছোট কিউব ১ কাপ, পেঁয়াজ কুচি সিকি কাপ, ধনেপাতা কুচি ১ টেবিল-চামচ।
সালাদ ড্রেসিং
পানি ঝরানো টকদই ১ কাপ, লবণ ও চিনি স্বাদমতো, গোলমরিচ স্বাদমতো, পনির মিহি কুচি করা ২ টেবিল-চামচ।
প্রস্তুত প্রণালিঃ
সব একসঙ্গে মিলিয়ে নিতে হবে। টমেটো স্কুপ করে ভেতরের অংশ বের করে নিতে হবে। টমেটোর ভেতরে অল্প লবণ মাখিয়ে রাখতে হবে। বড় বোলে শসা, গাজর, পেঁয়াজ কুচি, ধনেপাতা ও টমেটোর ভেতরের অংশ নিয়ে সঙ্গে ড্রেসিং মিলিয়ে টমেটোর ভেতরে ভরে ফ্রিজে ঠান্ডা করে সাজিয়ে পরিবেশন।

সোমবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

চটপট সবজি সালাদ।

উপকরণ: গাজর কিউব আধা কাপ (ভাপ দিয়ে নেওয়া), টমেটো কিউব ১ কাপ (ভাপ দিয়ে নেওয়া), ব্রকলি ছোট ছোট টুকরো ১ কাপ (ভাপ দিয়ে নেওয়া), ফুলকপি ছোট টুকরো ১ কাপ, মটরশুটি আধা কাপ, তিল ১ টেবিল-চামচ (শুকনো তাওয়ায় ভাজা)।
সালাদ ড্রেসিং
পানি ঝরানো টকদই বা মেয়োনেজ ২ কাপ, লবণ স্বাদমতো, জিরা ভাজা গুঁড়া স্বাদমতো, শুকনো মরিচ গুঁড়া (ভাজা) স্বাদমতো, পুদিনা পাতা কুচি ২ টেবিল-চামচ, ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল-চামচ, ক্যাপসিকাম কুচি আধা কাপ।
প্রণালি: সব মিলিয়ে ড্রেসিং তৈরি করতে হবে। বড় বোলে ভাপ দিয়ে নেওয়া সবজি, টমেটো, তিল ও ড্রেসিং মিলিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন

রবিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

আলু কাবলিচানার সালাদ।

উপকরণ: আলু সেদ্ধ লম্বা টুকরো ১ কাপ, গাজর সেদ্ধ লম্বা টুকরো আধা কাপ, বরবটি সেদ্ধ লম্বা টুকরো আধা কাপ, টমেটো লম্বা টুকরো আধা কাপ, কাবলিচানা সেদ্ধ করা ১ কাপ, লবণ স্বাদমতো।
সালাদ ড্রেসিং
পানি ঝরানো টকদই ২ কাপ, তেঁতুলের চাটনি আধা কাপ, ধনেপাতা কুচি আধা কাপ, কাঁচামরিচ কুচি (বিচি ফেলে দেওয়া) ২ টেবিল-চামচ, লবণ স্বাদমতো, প্রণালি: বড় বোলে আলু, গাজর, বরবটি, টমেটো, ছোলার সঙ্গে ড্রেসিং মিলিয়ে পরিবশেন।

শনিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

চিনাবাদাম ভর্তা।

উপকরণঃ
চীনাবাদাম ভাজা (খোসা ছাড়া) ১ কাপ, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, কাঁচামরিচ ৪-৫টি, ধনেপাতা কুচি ১ আঁটি, সরিষার তেল ১ টেবিল-চামচ, লবণ পরিমাণমতো।
প্রস্তুত প্রণালিঃ
কাঁচামরিচ কাঠখোলায় টেলে নিতে হবে। বাদামের লাল খোসা ঘষে তুলে ফেলে, পাটায় বেটে নিতে হবে। কাঁচামরিচ বেটে নিতে হবে। এবার তেলের সঙ্গে পেঁয়াজ, লবণ, ধনেপাতা কুচি চটকে বাদাম ও কাঁচামরিচ বাটা দিয়ে মাখাতে হবে। গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করা যায়।

শুক্রবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

কালোজিরা ভর্তা।

উপকরণঃ
কালোজিরা সিকি কাপ, রসুনের কোয়া ১ টেবিল-চামচ, কাঁচামরিচ ৩-৪টি, পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, সরিষার তেল ১ টেবিল-চামচ।
প্রস্তুত প্রণালিঃ
রসুন, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ কাঠখোলায় টেলে নিতে হবে। তেল বাদে সব উপকরণ পাটায় বেটে তেল দিয়ে মাখিয়ে ভর্তা করতে হবে।

বৃহস্পতিবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

পোস্তাদানা ভর্তা।

উপকরণঃ
পোস্তাদানা আধা কাপ, কালো সরিষা সিকি কাপ, কাঁচামরিচ ৫-৬টি, পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল-চামচ। লবণ পরিমাণমতো, রসুন ২-৩ কোয়া, সরিষার তেল ১ টেবিল-চামচ।
প্রণালিঃ
পোস্তাদানা কাঠখোলায় অল্প টেলে নিতে হবে। পেঁয়াজ, রসুন, কাঁচামরিচও কাঠখোলায় টেলে নিতে হবে। এবার সব উপকরণ একসঙ্গে বেটে নিয়ে সরিষার তেল দিয়ে মাখিয়ে ভর্তা করতে হবে।

বুধবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

তিলের ভর্তা।

উপকরণঃ
খোসা ছাড়ানো তিল আধা কাপ, পেঁয়াজ মিহি কুচি ৪ টেবিল-চামচ, ভাজা শুকনো মরিচ ৪টি, লবণ পরিমাণমতো, সরিষার তেল ২ টেবিল-চামচ, কোরানো নারকেল আধা কাপ।
প্রবাল প্রণালিঃ
তিল কাঠখোলায় টেলে সব উপকরণ দিয়ে বেটে নিয়ে মাখিয়ে ভর্তা করতে হবে। 

সোমবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

তিশির ভর্তা।

উপকরণঃ
তিশি সিকি কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, ভাজা শুকনো মরিচ ৮টি বা পরিমাণমতো, লবণ পরিমাণমতো, সরিষার তেল ৪ টেবিল-চামচ, ধনেপাতা কুচি ৪ টেবিল-চামচ।
প্রস্তুত প্রণালিঃ
তিশি কাঠখোলায় টেলে বেটে সব উপকরণ দিয়ে মাখিয়ে ভর্তা করতে হবে।

বুধবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

ম্যাকারনি উইথ চিকেন ভেজিটেবল।

পাস্তা, স্প্যাগেটি তো সব সময় রান্না হয়ই। তবে তাতে চিজ, নানা রকম হার্বস যোগ হলে স্বাদটা বেড়ে যায় বহুগুণ। পরিবেশনেও থাকা চাই যত্ন। দেখুন সাশা মানসুর চৌধুরীর দেওয়া পাস্তা তৈরির প্রণালিগুলো।

ম্যাকারনি উইথ চিকেন ভেজিটেবল
উপকরণঃ
ম্যাকারনি সেদ্ধ দুই কাপ, মুরগির কিমা সেদ্ধ আধাকাপ, বরবটিকুচি আধাকাপ, গাজর কুচি আধাকাপ, ক্যাপসিকাম কুচি করা আধাকাপ, পেঁয়াজের কলি আধাকাপ, মাশরুম আধাকাপ, অলিভ অয়েল, টমেটো সস।
প্রণালিঃ
অলিভ অয়েল দিয়ে মুরগির কিমা ও মাশরুম ভাজুন, সব সবজি মিশিয়ে টমেটো সস দিন, নেড়ে মিলিয়ে ম্যাকারনি মিলিয়ে নিন। গরম গরম পরিবেশন করুন।

মঙ্গলবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

টুনা পাস্তা সালাদ।

উপকরণঃ
ম্যাকারনি সেদ্ধ দুই কাপ, টুনা মাছের একটি টিন (ভেজিটেবল অয়েল দিয়ে মাখা), বরবটি আধাকাপ সেদ্ধ।
পেঁয়াজ কুচি আধাকাপ, কাঁচা মরিচ স্বাদমতো, লবণ স্বাদমতো, অলিভ অয়েল দুই টেবিল-চামচ।
প্রণালিঃ
সব উপকরণ একসঙ্গে মাখিয়ে এক ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিন, ধান্ডা হলে পরিবেশন করুন।

সোমবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০১১

হোয়াইট সস পাস্তা।

উপকরণঃ
পাস্তার জন্য: সেদ্ধ পাস্তা দুই কাপ, ব্রকলি একটি সেদ্ধ, মাশরুম সাত-আটটি দুই টুকরো করে সেদ্ধ, লবণ, মোজেরেলা চিজ।
হোয়াইট সসের জন্যঃ
দুধ এক কাপ, মাখন এক টেবিল-চামচ, ময়দা দুই টেবিল-চামচ, গোলমরিচের গুঁড়া এক চা-চামচ।
প্রণালিঃ
প্রথমে হোয়াইট সস বানাতে কড়াইয়ে মাখন গলাতে হবে আঁচ কম করে। এতে ময়দা দিয়ে নাড়ুন। আস্তে আস্তে দুধ ঢেলে দিন। কম আঁচে নাড়তে নাড়তে ঘন হয়ে এলে গোলমরিচের গুঁড়া দিয়ে দিন। এবার ঠিক পরিবেশনের আগে চুলায় হোয়াইট সস, পাস্তা, ব্রকলি, মাশরুম, মোজেরেলা চিজ, লবণ দিয়ে দিন। গরম গরম পরিবেশন করতে হবে। না হলে জমাট বেঁধে যাবে।

রবিবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০১১

স্প্যাগেটি বোলোনিস।

উপকরণঃ
কিমা দুই কাপ সেদ্ধ, স্প্যাগেটি (লম্বা নুডলসের মতো) সেদ্ধ আধা প্যাকেট। অলিভ অয়েল, রসুন কুচি, টমেটো পেস্ট (বা পুরি)। মাশরুম সাত-আটটি অর্ধেক করে কাটা। শুকনা মরিচের গুঁড়া আধা চা-চামচ। ইতালিয়ান পাস্তা হার্ব মিক্স এক চা-চামচ। (এতে বেসিল, পার্সলি, রোজমেরি, অরিগানো, থাইমসহ কিছু হার্বস থাকে)।
প্রণালিঃ
অলিভ অয়েল গরম করে রসুন কুচি দিয়ে দিন। একে একে কিমা, মাশরুম, টমেটো পেস্ট দিয়ে অল্প পানি দিয়ে নাড়ুন। একটু তেল ওপরে উঠে এলে মিক্সড হার্বস দিয়ে শুকনা মরিচের গুঁড়া দিয়ে নামিয়ে নিন। পরিবেশনের জন্য প্রথমে বড় প্লেটে স্প্যাগেটি গোল করে দিন। এর ওপরে কিমা সস ঢেলে দিন, তারপর মোজেরেলা চিজ গুঁড়া করে ওপরে সাজিয়ে দিন। পরিবেশনের আগে মাইক্রোওভেনে দুই মিনিট গরম করে নিলে চিজটা গলে যাবে।

মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০১১

প্রন স্যুপ।

উপকরণঃ
খোসা ছাড়ানো চিংড়ি আধা কাপ, গমের আটা ৩ টেবিল-চামচ, স্বাদ লবণ ১ চা-চামচ, পাতলা দুধ আধা কাপ, টমেটো সস ১ টেবিল-চামচ, কাঁচা মরিচ কুচি, লবণ ও চিনি পরিমাণমতো, সয়া, প্রন ও ক্যারামেল পাউডার ১ টেবিল-চামচ করে, সিরকা ১ চা-চামচ, এক চিমটি সরিষার গুঁড়া, পানি ৩ কাপ, ধনে পাতা অল্প পরিমাণ।
প্রণালিঃ
চিংড়ি কুচি করে কেটে অল্প স্বাদ লবণ, সিরকা ও লবণ দিয়ে ১০ মিনিট রাখতে হবে। এবার ধনে পাতা ছাড়া সব উপকরণ একসঙ্গে পানিতে গুলিয়ে চুলায় দিয়ে অনবরত নাড়তে হবে। ৭ থেকে ৮ মিনিট রান্না হলে স্যুপ এমনিতেই ঘন হয়ে আসবে। তখন ধনে পাতা দিয়ে নামাতে হবে।

সোমবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০১১

কর্ন স্যুপ।

উপকরণঃ
কর্নফ্লাওয়ার ৪ টেবিল-চামচ, সুইট বেবিকর্ন ১ কাপ, স্বাদ লবণ ১ চা-চামচ, সয়া প্রোটিন ও চিকেন পাউডার ২ টেবিল-চামচ করে, পাতলা দুধে গোলানো ডিম ১টা, লবণ ও চিনি স্বাদমতো, কাঁচা মরিচ, ধনে পাতা, গোলমরিচের গুঁড়া সামান্য, পানি বড় কাপের ২ কাপ, লেবুর রস আধা চা-চামচ।
প্রণালিঃ
বেবিকর্ন সামান্য পানি দিয়ে ১ মিনিট ভাপিয়ে নিতে হবে। এরপর লেবুর রস ও ডিম ছাড়া সবকিছু পানিতে গুলিয়ে চুলায় মাঝারি আঁচে ৮ থেকে ৯ মিনিট রান্না করতে হবে। স্বাদ অনুযায়ী ঘন হয়ে এলে একটু ওপর থেকে গোলানো ডিম এক হাতে ছাড়তে হবে, অন্য হাতে অনবরত নাড়তে হবে। তা না হলে ডিম দলা পাকিয়ে যাবে। ডিম দেওয়ার পর এই স্যুপ দেখতে খুব ভালো হয়। এরপর ওপরে লেবুর রস দিয়ে নামাতে হবে।

শুক্রবার, ২১ জানুয়ারি, ২০১১

সবজির স্টু।

উপকরণঃ
গাজর, আলু, ফুলকপি, টমেটো একটু বড় করে কাটা ৩ কাপ, মটরশুঁটি ও বরবটি আধাকাপ করে, আস্ত গোলমরিচ ১ টেবিল-চামচ, এলাচ ও দারচিনি ৩ থেকে ৪টা করে, পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল-চামচ, বড় করে কাটা পেঁয়াজ ১ কাপ, সয়াবিন তেল ১ টেবিল-চামচ, মাখন ৫০ গ্রাম, চিনি, লবণ ও কাঁচা মরিচ কুচি স্বাদমতো, পানি প্রয়োজনমতো, পাতলা দুধে কর্নফ্লাওয়ার গোলানো ৩ টেবিল-চামচ, লেবুর রস আধা চা-চামচ।
প্রণালিঃ
সব সবজি ২ থেকে ৩ মিনিট ভাপিয়ে নিতে হবে। তেল গরম করে এলাচ, দারচিনি ও পেঁয়াজ কুচি ভেজে সব সবজি একটু হালকা আঁচে ভাজতে হবে। এরপর বড় করে কাটা পেঁয়াজ, টমেটো ও গোল মরিচ দিয়ে রান্না করতে হবে। সবজি যেন পানিতে ডুবে থাকে, এমন পরিমাণে পানি দিতে হবে। ১০ থেকে ১২ মিনিট পর সবজি সেদ্ধ হলে চিনি, লেবুর রস, স্বাদমতো লবণ ও কাঁচা মরিচ দিয়ে আরও একটু দমে রাখতে হবে। দুধে কর্নফ্লাওয়ার গুলিয়ে সবজিতে দিতে হবে। থকথকে হয়ে এলে ওপরে মাখন দিয়ে নামাতে হবে। এই রান্নায় লবণ পরে দিলে সবজির রং ঠিক থাকবে। ইচ্ছা হলে ক্যাপসিকাম দেওয়া যাবে।

বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারি, ২০১১

চিকেন স্যুপ।

উপকরণঃ
মুরগির কিমা ১ কাপ, গমের আটা অথবা কর্নফ্লাওয়ার ৩ টেবিল-চামচ, চিকেন স্টক ৩ কাপ, কুচি করা গাজর ২ টেবিল-চামচ, কচি মটরশুঁটি আধা কাপ, সয়াসস ১ চা-চামচ, টমেটো সস ১ টেবিল-চামচ, স্বাদ লবণ ১ চা-চামচ, সিরকা ১ চা-চামচ, চিনি, লবণ, কাঁচা মরিচ কুচি স্বাদমতো। চিকেন পাউডার ১ টেবিল-চামচ, গোল মরিচের গুঁড়া আধা চা-চামচ।
প্রণালিঃ
কিমায় সয়াসস, গোল মরিচের গুঁড়া, সিরকা ও লবণ দিয়ে ১০ থেকে ১২ মিনিট রাখতে হবে। কিমা ২ থেকে ৩ মিনিট ভাপিয়ে নিতে হবে, যাতে কাঁচা গন্ধ না আসে। এবার স্টকে সবকিছু মিলিয়ে মাঝারি আঁচে ৮ থেকে ১০ মিনিট রান্না করতে হবে। পছন্দমতো ঘন হলে ধনে পাতা দিয়ে নামাতে হবে।

মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০১১

খেজুর গুড়ের শাহি টুকরা।

উপকরণঃ
পাউরুটি ৬ টুকরা, সয়াবিন ও ঘি (অল্প), দুধ, গুড়, বাদাম, কিশমিশ ও জাফরান।
প্রস্তুত প্রণালিঃ
সয়াবিন ও ঘি (অল্প) দিয়ে সোনালি করে ভেজে নিতে হবে। দুধে চিনি দিয়ে জ্বাল দিন। এতে সিকি কাপ গুড় (কুচি করা) মিলিয়ে ঘন করে ১ কাপ করে নিতে হবে। অন্য পাত্রে ১ পোয়া বা ১ কাপ দুধে ১ টেবিল-চামচ গুড় দিয়ে জ্বাল করে রাখতে হবে। ভাঁজা রুটি দুধে ভিজিয়ে সার্ভিং ডিশে সাজিয়ে ওপরে ঘন দুধের মিশ্রণ ঢেলে বাদাম, কিশমিশ ও জাফরান দিয়ে পরিবেশন।

নতুন গুড়ের ফিরনি।

উপকরণঃ
দুধ ১ লিটার, পানি ১ কাপ, পোলাওয়ের চাল ১ মুঠ (২ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে পানি ঝরিয়ে আধা ভাঙা করে নিতে হবে), গুড় (কুচি কুচি করে নেওয়া) আধা কাপ, মাওয়া আধা কাপ (নামানোর আগে), নারকেল কুড়ানো আধা কাপ, বাদাম সাজানোর জন্য।
প্রস্তুত প্রণালিঃ
দুধ ও পানি জ্বাল দিয়ে নিন। বলক এলে অল্প অল্প করে চাল দিয়ে নেড়ে নেড়ে মিলিয়ে নিতে হবে। চাল ও দুধের মিশ্রণ যেন দলা না হয়। এবার এতে নারকেল মিশিয়ে অল্প আঁচে নেড়ে নেড়ে চাল সেদ্ধ করে নিতে হবে। সেদ্ধ হয়ে এলে ১ টেবিল-চামচ চিনি দিয়ে জ্বাল করে গুড় মেলাতে হবে। গুড় মিলিয়ে নেড়ে নেড়ে ঘন হয়ে এলে মাওয়া মিশিয়ে নামাতে হবে।

সোমবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০১১

খেজুর গুড়ের প্যানকেক।

উপকরণঃ
ময়দা ২ কাপ, বেকিং পাউডার ১ টেবিল-চামচ, গুড় (কুচি করা) আধা কাপ, দুধ ২ কাপ, লবণ ১ চা-চামচ, ডিম ২টি, সয়াবিন তেল ৩ টেবিল-চামচ।
প্রস্তুত প্রণালিঃ
ময়দা, বেকিং পাউডার ও লবণ একসঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। দুধে গুড় ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। ডিম ফেটে নিয়ে দুধের মিশ্রণে মেশাতে হবে। দুধে ময়দার মিশ্রণ মিশিয়ে প্যানকেকের গোলা বানাতে হবে। ২ ঘণ্টা রেখে পরে বানাতে হবে। ননস্টিক প্যানে ১ চামচ করে গোলা দিয়ে প্যানকেক বানিয়ে নিতে হবে। এই প্যানকেক বাচ্চাদের টিফিন দিন, নাশতায় চা বা কফির সঙ্গে খান। মিষ্টি যে যেমন খাবেন, সেই হিসাবে দিতে হবে। প্যানকেক অল্প আঁচে ঢাকনা দিয়ে বানাতে হবে। এক পিঠে রং ধরলে উল্টে দিতে হবে।
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...